Gujarat Incident: শিক্ষকের থাপ্পড়ে শ্রবণশক্তি হারাল ছাত্রী! শিক্ষিকাকে তিন বছরের জেলের সাজা আদালতে

দেশ

নিউজ পোল ব্যুরো: গুজরাটের একটি আদালত (Gujarat Court) একটি প্রাইভেট স্কুল (ল শিক্ষিকাকে ৩ বছরেরও বেশি সময়ের কারাদণ্ড দিয়েছে, কারণ তিনি এক নবম শ্রেণীর ছাত্রীকে হোমওয়ার্ক ও না করায় থাপ্পড় মেরেছিলেন। এই আঘাতের ফলে ছাত্রীটির কানের পুরুস্কৃত অংশ ফেটে যায় এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্রবণ সমস্যার ও মুখোমুখি হতে হয়।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee on Election Commission:‘ভোটাধিকার লুণ্ঠনের মাঝেই দিবস পালন—অধিকার নেই’ জাতীয় ভোটার দিবসে নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ মমতার!

অতিরিক্ত প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট হিমাংশু চৌধুরি জানিয়েছেন, এই ঘটনা (incident) শিক্ষকের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নাবালিকার প্রতি গুরুতর আঘাতের এক স্পষ্ট উদাহরণ। ১৪ বছর বয়সী ওই ছাত্রী তার বাম কানের কানের ঝিল্লি ফেটে যাওয়ার কারণে দীর্ঘস্থায়ী শ্রবণ সমস্যায় ভুগছেন এবং এখনও চিকিৎসাধীন । ঘটনাটি ও ঘটেছিল ১ জানুয়ারি ২০২০ সালে গান্ধিনগরের বা শ্রী বসন্তকুমারবা স্কুলে। অভিযুক্ত শিক্ষক পারুলবেন প্যাটেল অভিযোগে বলেন, ছাত্রী হোমওয়ার্ক শেষ না করায় তিনি রেগে গিয়ে তিনবার থাপ্পড় মারেন। এই আঘাতের ফলে কানের ঝিল্লি ফেটে যায় এবং গুরুতর আঘাতের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়। ঘটনার পর দুই দিন পরে সেক্টর-২১ পুলিশ মামলা রেকর্ড করে। আদালত প্যাটেলকে ভারতীয় দণ্ডবিধি ধারা ৩২৫ এর অধীনে গ্রিভাস হর্ট এবং শিশু আইন ধারা ৭৫ এর অধীনে শিশু assault-এর জন্য দোষী সাব্যস্ত করে। তাকে ৩ বছর ৩ মাসের জেল এবং ৫০,০০০ টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়, যা ক্ষতিগ্রস্ত ছাত্রীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

প্যাটেলের পক্ষে যুক্তি করা হয়েছিল যে ছাত্রী অসঙ্গতিপূর্ণ এবং মামলাটি মিথ্যা। তিনি নিজের ক্যান্সার রোগকে নিয়েও সহমর্মিতা চাইতেন। তবে আদালত এই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে, কারণ কোনো প্রমাণপত্র উপস্থাপন করা হয়নি। আদালত স্পষ্টভাবে জানায়, “Probation দেওয়া শিশু সুরক্ষা এবং দৃষ্টান্ত স্থাপনের লক্ষ্যকে ক্ষুণ্ন করবে।” এই রায় শিশুদের প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করবে এবং শিক্ষকদের কর্তৃত্বের সীমারেখা সচেতন করবে।