নিউজ পোল ব্যুরো: কর্ণাটকের একটি মন্দির চত্বরে ছবি তুলতে গিয়ে চিত্রগ্রাহকদের উপর হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, মন্দির প্রাঙ্গণে জুতো পরে ছবি তোলার কারণে স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে। সেই থেকেই শুরু হয় বচসা, যা পরে মারধরের ঘটনায় রূপ নেয়।
ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটকের জনপ্রিয় বেট্রেডা ভৈরবেশ্বরা মন্দিরে। সবুজে ঘেরা মনোরম পরিবেশের জন্য এই স্থানটি প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। প্রায়ই বিভিন্ন দম্পতি এখানে বিয়ের আগে ছবি তুলতে আসেন। সেই মতোই এক হবু দম্পতি কয়েকজন চিত্রগ্রাহককে নিয়ে মন্দির চত্বরে ফটোশুট করতে এসেছিলেন। প্রথমে সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সেখানে এসে আপত্তি জানান। স্থানীয়দের অভিযোগ, চিত্রগ্রাহকেরা জুতো পরেই মন্দিরের ভেতরে উঠে ছবি তুলছিলেন, যা মন্দিরের পবিত্রতা নষ্ট করছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং স্থানীয়রা চিত্রগ্রাহকদের উপর চড়াও হন। অভিযোগ, হামলার সময় ক্যামেরাও ভেঙে ফেলা হয়।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
হিন্দু ধর্মে মন্দিরকে অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে মনে করা হয়। সেই কারণে মন্দির প্রাঙ্গণে জুতো পরে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ বলে ধরা হয়। বিশ্বাস করা হয়, জুতো বাইরে থেকে অশুচিতা বহন করে আনে এবং তা মন্দিরের পবিত্র পরিবেশের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। অতীতে জুতো মূলত চামড়া দিয়ে তৈরি হত, যা পশুহত্যার প্রতীক হিসেবে ধরা হতো। সেই কারণেও মন্দিরে জুতো পরা নিষিদ্ধ বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে।এই ঘটনার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করে ইতিমধ্যেই সাতজনকে গ্রেফতার করেছে।
