নিউজ পোল ব্যুরো: ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখা এবং স্বাভাবিক জেল্লা বজায় রাখতে প্রাকৃতিক উপাদানের মধ্যে ডিম অত্যন্ত কার্যকর একটি উপাদান হিসেবে পরিচিত। বাজারচলতি নানা ফেসপ্যাকের ভিড়ে ঘরোয়া এই সহজ উপায়টি অনেক সময়ই বেশি উপকার দেয়। তবে প্রশ্ন একটাই—ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করবেন, নাকি কুসুম (Egg Yolk)? আসলে দুটিরই আলাদা গুণ রয়েছে এবং ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিকটি বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
আরও পড়ুন:Bhumi Pednekar: আকাশছোঁয়া দাম! বোতলের জলে ‘হিমালয়ের ছোঁয়া’, নিজের ব্র্যান্ড নিয়ে ব্যাখ্যায় ভূমি!
প্রথমেই আসা যাক ডিমের সাদা অংশের কথায়। ত্বক টানটান রাখতে এটি প্রায় ম্যাজিকের মতো কাজ করে। ডিমের সাদা অংশে থাকা অ্যালবুমিন ত্বকের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখতে সাহায্য করে, ফলে বলিরেখা পড়ার প্রবণতা কমে। পাশাপাশি এটি ত্বকের বড় লোমকূপ সংকুচিত করে, যার ফলে ত্বক দেখতে মসৃণ ও পরিপাটি লাগে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাদের জন্য ডিমের সাদা অংশ বিশেষ উপকারী। এটি অতিরিক্ত তেল শোষণ করে ব্রণ কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বককে পরিষ্কার রাখে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকে একটি স্বাভাবিক টানটান ভাব ফিরে আসে, যা অনেকটাই ফেসলিফটের মতো কাজ করে।
অন্যদিকে, ডিমের কুসুম (Egg Yolk) মূলত পুষ্টি এবং আর্দ্রতার উৎস। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি এবং ফ্যাটি অ্যাসিড, যা শুষ্ক ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। যাদের ত্বক রুক্ষ ও খসখসে, তাদের জন্য কুসুম একটি প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজারের মতো কাজ করে। এটি ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগায় এবং শুষ্কতা দূর করে ত্বকে নরম ও উজ্জ্বল ভাব আনে। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের নিস্তেজ ভাব কেটে গিয়ে একটি স্বাস্থ্যকর জেল্লা ফিরে আসে।
তাহলে কার জন্য কোনটি উপযুক্ত? যাদের ত্বক তৈলাক্ত বা মিশ্র, তাদের জন্য ডিমের সাদা অংশই বেশি কার্যকর। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং ত্বককে টানটান রাখে। আর যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তাদের জন্য ডিমের কুসুম ব্যবহার করাই ভালো। এটি ত্বকের প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা বজায় রাখে এবং পুষ্টি জোগায়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে ডিম একটি সহজ ও কার্যকর উপায়। তবে নিজের ত্বকের ধরন বুঝে সঠিক অংশটি ব্যবহার করলেই মিলবে সবচেয়ে ভালো ফল।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole
