Healthy Lifestyle : কাঁচা স্প্রাউট খাওয়ার আগে জেনে নিন পুষ্টিবিদ খুশি ছাবরার সতর্কতা

Life style লাইফস্টাইল

নিউজ পোল ব্যুরো: খেলাধুলা (Healthy Lifestyle) বা ফিটনেস (Fitness) জগতের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের কাছে স্প্রাউট স্যালাড (Sprout Salad) বা অঙ্কুরিত শস্য যেন এক অনন্য পছন্দের খাদ্য। শুধু খেলোয়াড় বা বডি বিল্ডার (Bodybuilder) নন, অনেক সাধারণ স্বাস্থ্যসচেতন মানুষও এই খাদ্যকে তাদের দৈনন্দিন ডায়েটে (Diet) রাখেন। অনেকের মতে এটি একটি আদর্শ সুপারফুড (Superfood)। কিন্তু পুষ্টিবিদ Khushii Chhabra সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) সতর্ক করেছেন, স্প্রাউট খাওয়ার পদ্ধতিতেই লুকিয়ে আছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। সঠিক উপায়ে না খেলে পেট ফাঁপা (Bloating), গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য (Constipation) এমনকি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও হতে পারে।

আরও পড়ুন:Table Styling : খাবার টেবিলের ভিড় কমিয়ে সহজে সাজান, খাওয়ার সময় থাকুক আরামদায়ক পরিবেশ

ইনস্টাগ্রামে (Instagram) পোস্ট করা একটি ভিডিয়োতে খুশি ছাবরা স্পষ্ট করে বলেন, “সব কিছু কাঁচা অবস্থায় খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। বুদ্ধিমানের মতো ব্যালান্স করে খাওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর মতে, স্প্রাউট যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, কাঁচা অবস্থায় খেলে শরীরে তা ঠিকভাবে হজম নাও হতে পারে। স্প্রাউট প্রোটিন (Protein), ফাইবার (Fiber) ও ভিটামিনে (Vitamin) ভরপুর হলেও এতে থাকা শক্ত ফাইবার ও জটিল কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrate) হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। আরও বড় বিপদ হল ব্যাকটেরিয়া (Bacteria)। স্প্রাউট উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে অঙ্কুরিত হয় বলে সঠিকভাবে না ধুলে বা সংরক্ষণ না করলে তাতে Escherichia coli বা Salmonella-র মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা খাদ্য বিষক্রিয়ার (Food Poisoning) কারণ হতে পারে। বিশেষ করে যাদের হজমশক্তি দুর্বল, তাদের জন্য কাঁচা স্প্রাউট মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole

খুশি পরামর্শ দেন, স্প্রাউট হালকা ভাপে (Steaming) বা রান্না করে খেলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। এতে ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস হয় এবং ফাইবার নরম হয়ে হজমে সুবিধা দেয়। এছাড়া আদা (Ginger), জিরে (Cumin), গোলমরিচ (Black Pepper), বিট লবণ (Black Salt)-এর মতো মশলা ব্যবহার করলে হজমে সহায়তা মেলে। তিনি পরামর্শ দেন দিনে আধ থেকে এক কাপের বেশি না খাওয়ার জন্য, কারণ অতিরিক্ত স্প্রাউট হজমে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। এছাড়া স্প্রাউটের সঙ্গে দই (Curd), পনির (Paneer) বা ডিম (Egg)-এর মতো প্রোটিন উৎস মিশিয়ে খেলে খাবারের ভারসাম্য (Balanced Diet) বজায় থাকে। এভাবে খেলে শরীর পুষ্টিগুণ পায়, অথচ গ্যাস বা পেট ফাঁপার মতো অস্বস্তি বাড়ে না। তাই স্প্রাউট নিঃসন্দেহে পুষ্টিকর খাদ্য হলেও সংরক্ষণ (Storage), ধোয়া (Washing), রান্না (Cooking) এবং সঠিক পরিমাণে খাওয়ার (Portion Control) দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। না হলে এই তথাকথিত সুপারফুডই হয়ে উঠতে পারে হজমের বড় সমস্যা।