Mamata Banerjee: ‘প্রশাসনে এত ভাগাভাগি আগে কোনও দিন ছিল না…’, নাম না করে কড়া বার্তা মমতার

জেলা রাজনীতি রাজ্য

নিউজ পোল ব্যুরো: নির্বাচনী বিধি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রশাসনিক স্তরে একের পর এক রদবদল ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। গত কয়েক সপ্তাহে বিপুল সংখ্যক আধিকারিকের বদলি নিয়ে ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে একাধিক পক্ষ। এই প্রেক্ষাপটে সোমবার নারায়ণগড়ের জনসভা থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর নিশানায় ছিল নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি।

আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: মমতার প্রচার বন্ধের দাবিতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, পাল্টা জবাব তৃণমূলের

সভা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) অভিযোগ করেন, প্রশাসনের মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, “আগে কখনও এভাবে প্রশাসন ভাগ করা হয়নি। দক্ষ ও অভিজ্ঞ অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কে কোন দলের, কার সঙ্গে কার সম্পর্ক এসব খতিয়ে দেখে বদলি করা হচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, এই ধরনের পদক্ষেপে উল্টো প্রতিক্রিয়া হতে পারে এবং সাধারণ মানুষ এতে ক্ষুব্ধ।এদিন তিনি (Mamata Banerjee) ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়ের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে এবং এর পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে। যদিও বিরোধীরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সাম্প্রতিক চার্জশিট প্রসঙ্গেও তীব্র আক্রমণ শানান তিনি। পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন, আগে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাজের হিসাব দেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্যে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা শোনা যায়।রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প নিয়েও বিরোধীদের কটাক্ষের জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী। ‘যুবসাথী’, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’, ‘কন্যাশ্রী’ সহ একাধিক প্রকল্পকে তিনি সাধারণ মানুষের উন্নয়নের হাতিয়ার বলে ব্যাখ্যা করেন। তাঁর মতে, এগুলি কোনও ভাতা নয়, বরং মানুষের আর্থিক স্বনির্ভরতার পথ প্রশস্ত করছে।

তবে শুধু বিরোধীদের নয়, দলীয় নেতাকর্মীদেরও কড়া বার্তা দেন তিনি। টিকিট না পেয়ে অসন্তোষ প্রকাশ বা দলবিরোধী কাজ কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন। একইসঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় ঐক্য বজায় রেখে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole