নিউজ পোল ব্যুরো: নিশানা রাজনীতিতে ফের উত্তাল কেন্দ্রীয় মঞ্চ। কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ভোটার তালিকা থেকে দলিত, আদিবাসী এবং কংগ্রেস সমর্থকদের নাম ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’ বাদ দেওয়া হচ্ছে। এমন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হন রাহুল। দেশের গণতন্ত্র এবং সংবিধান রক্ষায় ভারতের “জেনারেশন জেড” বা নবপ্রজন্মের কাছে আহ্বান জানান তিনি। আর এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করে পাল্টা আক্রমণে নেমেছে বিজেপি।
রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) অভিযোগ, শুধু কারিগরি ভুল নয়, পরিকল্পিতভাবে কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির ভোটারদের বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি স্পষ্ট বলেন, “দেশের ছাত্রছাত্রী, তরুণ সমাজই সংবিধান রক্ষা করবে। গণতন্ত্র রক্ষা করবে এবং ভোট চুরি বন্ধ করবে। আমি তাদের পাশে আছি।” তার এই বার্তা পরোক্ষভাবে জেনারেশন জেড-কে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হতে আহ্বান। এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে বলেন, ভারতের নবপ্রজন্ম পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি এবং মতাদর্শগত দ্বিধার বিরুদ্ধে। তার কথায়, “জেন জি কেন নেহরু, ইন্দিরা, রাজীব, সনিয়ার পর রাহুলকে মেনে নেবে? তারা তো দুর্নীতির বিরুদ্ধে, পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে। জেন জি একবার জেগে উঠলে, কংগ্রেস নেতাদের দেশ ছাড়তে হবে।”
বিষয়টি এখানেই থেমে থাকেনি। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরও বিজেপির পক্ষে সুর চড়ান। তাঁর মতে, রাহুলের সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, “রাহুল আসলে অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। নিজের নেতৃত্বহীনতা এবং জনসমর্থনের অভাব ঢাকতেই নাটক করছেন।” যদিও কংগ্রেস শিবির মনে করছে, এটি গনতন্ত্রের প্রতি এক গভীর চ্যালেঞ্জ এবং জনগণকেই এর উত্তর দিতে হবে। জেনারেশন জেডকে সামনে রেখেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মেরুকরণের নতুন অধ্যায়। যেখানে প্রশ্ন উঠছে, তরুণদের ভবিষ্যত ভাবনা ও নেতৃত্ব কোন দিকে যাবে?
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
