নিউজ পোল ব্যুরো: পুজোর উৎসব মানেই ডায়েটকে (Diet) ফাঁকি দিয়ে প্রচুর আনন্দ, আত্মীয়-বন্ধুদের সঙ্গে দেখা, দেদার খাওয়াদাওয়া আর সারারাতের উৎসব-উল্লাস। কিন্তু এই বেলাগাম খাওয়াদাওয়ার পর শরীরের ওজন যে খানিকটা বাড়ে, তা আর অজানা নয়। এখন যখন উৎসবের উন্মাদনা একটু স্তিমিত, তখনই সময় নিজেকে আবার আগের ছন্দে ফেরানোর। আর তার প্রথম ধাপই হল—খাদ্যাভ্যাসে কিছু ছোট পরিবর্তন।
আরও পড়ুন:Japan: জাপানের ইতিহাসে নতুন সূর্যোদয়, প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হলেন সানায়ে তাকাইচি
নিচে এমন পাঁচটি খাবারের নাম দেওয়া হল, যেগুলি পুজোর পরের ডায়েটে (Diet) রাখলে খুব দ্রুতই ওজন কমিয়ে আগের ফিটনেস ফিরে পাবেন—
ফল
তেল-মশলাদার খাবার বাদ দিয়ে ফলকে জায়গা দিন আপনার প্লেটে। ফলে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয় ও হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত ফল খেলে শরীরের পাশাপাশি ত্বকও থাকবে উজ্জ্বল ও সতেজ।
দই
টক দই শুধু হজমের জন্য নয়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। এতে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান শরীরের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে এবং হজমতন্ত্রকে সঠিক রাখে। প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে এক বাটি দই রাখলে শরীরের টক্সিন সহজে বেরিয়ে যায়।
লেবু
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ঈষদুষ্ণ জলে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে খেলে বিপাক হার বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের টক্সিন বেরিয়ে আসে। এই সহজ পানীয়টি শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে সাহায্য করে ও হজম শক্তিও উন্নত করে।
রসুন
পুজোর সময়ে বাইরের খাবার বেশি খাওয়া হয়, যা লিভারের উপর চাপ ফেলে। রসুন লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। প্রতিদিনের খাবারে সামান্য কাঁচা বা রান্না করা রসুন খেলে শরীরের চর্বি জমতে পারে না।
গ্রিন টি
চিনি দেওয়া দুধ চা বা কফির বদলে রাখুন গ্রিন টি। এতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, যা বিপাক হার বৃদ্ধি করে ও শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে। দিনে অন্তত দু’বার গ্রিন টি খেলে শরীর থাকবে হালকা ও সক্রিয়।
পুজোর পর শরীর ও মনকে আবার ফিট করতে হলে এই খাবারগুলিকে প্রতিদিনের রুটিনে রাখাই শ্রেয়। সঙ্গে প্রয়োজন সামান্য হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম। উৎসবের আনন্দ যেন শরীরের ভারে হারিয়ে না যায় — তাই সময় থাকতেই নিজের যত্ন নিন।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক: https://youtube.com/@thenewspole
