নিউজ পোল ব্যুরো: পঞ্চম সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আরও প্রায় ২ লক্ষ বিচারাধীন ভোেটারের তথ্য খতিয়ে দেখা হয়েছে। এর আগে চারটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই অতিরিক্ত ২ লক্ষ আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও আপলোড করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এই ২ লক্ষের মধ্যে প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: ‘প্রশাসনে এত ভাগাভাগি আগে কোনও দিন ছিল না…’, নাম না করে কড়া বার্তা মমতার
এসআইআর প্রক্রিয়ার পর রাজ্যে প্রায় ৬৪ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছিল। পাশাপাশি প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিচারাধীন তালিকায় রাখা হয়েছিল। সেই বিচারাধীন আবেদনগুলির নিষ্পত্তি করতে চলতি সপ্তাহ থেকেই ধাপে ধাপে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে ৬০ লক্ষের মধ্যে প্রায় ৪২ লক্ষ ভোটারের তথ্য যাচাই করা হয়েছে। এখনও প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। তাদের নিষ্পত্তি হলে চূড়ান্তভাবে জানা যাবে মোট কতজন ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ল। ধারাবাহিক হিসেব অনুযায়ী, সব মিলিয়ে প্রায় ৯০ লক্ষ ভোটারের নাম বাতিল হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্বের দাবি ছিল, প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ যেতে পারে। এদিকে শনিবার কলকাতায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে সিইও মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি নিজেদের ভোেট সুরক্ষিত রাখতে ভিনরাজ্যের ভোটারদের বাংলার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, সকাল থেকে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রায় ৩০ হাজার ফর্ম-৬ অবৈধভাবে জমা পড়েছে, যাদের অনেকেরই বিহার ও উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
অন্যদিকে, নাম বাদ পড়ার ঘটনায় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের একাংশের মধ্যে। কোথাও কোথাও বিক্ষোভও দেখা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে, যার মনোনয়নের শেষ দিন ৬ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল বাকি ১৪২টি কেন্দ্রে ভোেট হবে এবং মনোনয়নের শেষ দিন ৯ এপ্রিল। ওইদিন পর্যন্ত যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে, তাঁরাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ৯ এপ্রিলের পরই রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যার চূড়ান্ত চিত্র স্পষ্ট হবে।
