নিউজ পোল ব্যুরো: ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ যখন তুঙ্গে, তখন মুর্শিদাবাদের মাটি থেকে শুরু হলো তীব্র বাকযুদ্ধ। অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ আর বিতর্কে জমে উঠেছে নির্বাচনী লড়াই। সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ককে ঘিরে এই সংঘাত আরও জটিল হয়ে উঠছে, যেখানে একে অপরকে নিশানা করতে পিছপা হচ্ছেন না নেতারা।
মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে এক জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)-কে। তিনি অভিযোগ করেন, হুমায়ুন নিজের সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এবং আবেগকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছেন।
আরও পড়ুন: PM Narendra Modi : কাটোয়ার জনসমুদ্রই ‘৪ মে-র ট্রেলার’! তৃণমূলকে নিশানা করে হুংকার প্রধানমন্ত্রীর
বর্তমানে রাজ্যজুড়ে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার জোর কদমে চলছে। এই পরিস্থিতিতে হুমায়ুন কবীর নিজের আলাদা দল গঠন করে ১৮২টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন, যা রাজনৈতিক মহলে সংখ্যালঘু ভোট বিভাজনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। সম্প্রতি হুমায়ুন কবীরের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও ভিডিওটির সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়, তবুও তা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয়েছে। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, সত্য-মিথ্যা তদন্তেই প্রমাণিত হবে। তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন যদি ভিডিওটি মিথ্যা হয়, তাহলে কেন তাঁর নিজের দলের নেতারাই একে একে সরে যাচ্ছেন?
জানা গেছে, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর তাঁর দলের একাধিক নেতা পদত্যাগ করেছেন। এমনকি মিম-এর সঙ্গে গড়া জোটও ভেঙে গিয়েছে। অন্যদিকে, ওই ভিডিওতে বিজেপির সঙ্গে আর্থিক চুক্তির অভিযোগ ওঠায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে, যদিও হুমায়ুন কবীর এই অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে ভুয়ো ও রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন। সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, তৃণমূল ধর্মের রাজনীতি করে না এবং মানুষকে বিভাজনের পথে হাঁটে না। তিনি মুর্শিদাবাদের মানুষকে একজোট হয়ে তৃণমূলকে সমর্থন করার আহ্বান জানান। শেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই জেলায় তৃণমূল দুর্বল হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এখানকার সাধারণ মানুষই। তাই ২২টি আসনেই তৃণমূলকে জেতানোর আবেদন জানান তিনি।
নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:- https://youtube.com/@thenewspole
