Narendra Modi:উৎপাদন বেড়েছে, ৩৮ দেশের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করেছে ভারত: প্রধানমন্ত্রী!

রাজনীতি

নিউজ পোল ব্যুরো:দেশের উৎপাদন ক্ষমতায় সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। পাশাপাশি পরিষেবা ক্ষেত্র এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পেও (MSME) যে দেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে, তা-ও স্পষ্ট করে দেন তিনি। এই আর্থিক শক্তির উপর ভর করেই ভারত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে একের পর এক মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি (Free Trade Agreement) সম্পন্ন করতে পেরেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:https://thenewspole.com/2026/02/15/dhaka-low-voter-turnout-bangladesh-election/

প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিশ্বের মোট ৩৮টি দেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যচুক্তি কার্যকর রয়েছে। তাঁর কথায়, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত নীতির ধারাবাহিকতাই আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে এনেছে। এর ফলেই বিদেশি লগ্নি বাড়ছে এবং ভারত ক্রমশই একটি নির্ভরযোগ্য বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে নিজেদের জায়গা পোক্ত করছে।

এই প্রসঙ্গে অতীতের দিকে ফিরে তাকিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জমানার আর্থিক নীতির কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। তাঁর বক্তব্য, সেই সময় আর্থিক অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল। এর ফলস্বরূপ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় ভারত নিজের স্বার্থ যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে বেসরকারি শিল্প সংস্থাগুলির প্রতিও স্পষ্ট বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধুমাত্র মুনাফার দিকেই নজর না রেখে গবেষণা ও উন্নয়ন, আধুনিক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পণ্যের গুণমান বৃদ্ধিতে জোর দিতে হবে। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেলে এবং তার ফলে লাভ বাড়লে, সেই মুনাফা শ্রমিকদের মধ্যেও ন্যায্যভাবে বণ্টনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

নিউজ পোল বাংলা ইউটিউব লিঙ্ক:https://youtube.com/@newspolebangla?si=mYrQvXTBQ1lG3NFT

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “বেসরকারি ক্ষেত্রে যদি সাহসী বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের আরও শক্তিশালী করে তোলা যায়, তবেই আমরা একধাপ এগিয়ে যেতে পারব ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যের দিকে।” তাঁর এই বক্তব্যকে দেশের শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ রূপরেখা হিসেবেই দেখছেন অর্থনৈতিক মহলের একাংশ।দেশের উৎপাদন ক্ষমতায় সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে বলে দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি পরিষেবা ক্ষেত্র এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পেও (MSME) যে দেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে, তা-ও স্পষ্ট করে দেন তিনি। এই আর্থিক শক্তির উপর ভর করেই ভারত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে একের পর এক মুক্ত বাণিজ্যচুক্তি (Free Trade Agreement) সম্পন্ন করতে পেরেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বিশ্বের মোট ৩৮টি দেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যচুক্তি কার্যকর রয়েছে। তাঁর কথায়, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত নীতির ধারাবাহিকতাই আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে এনেছে। এর ফলেই বিদেশি লগ্নি বাড়ছে এবং ভারত ক্রমশই একটি নির্ভরযোগ্য বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে নিজেদের জায়গা পোক্ত করছে।

এই প্রসঙ্গে অতীতের দিকে ফিরে তাকিয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জমানার আর্থিক নীতির কড়া সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, সেই সময় আর্থিক অব্যবস্থাপনার কারণে দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল। এর ফলস্বরূপ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় ভারত নিজের স্বার্থ যথাযথভাবে তুলে ধরতে পারত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে বেসরকারি শিল্প সংস্থাগুলির প্রতিও স্পষ্ট বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শুধুমাত্র মুনাফার দিকেই নজর না রেখে গবেষণা ও উন্নয়ন, আধুনিক সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পণ্যের গুণমান বৃদ্ধিতে জোর দিতে হবে। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেলে এবং তার ফলে লাভ বাড়লে, সেই মুনাফা শ্রমিকদের মধ্যেও ন্যায্যভাবে বণ্টনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “বেসরকারি ক্ষেত্রে যদি সাহসী বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের আরও শক্তিশালী করে তোলা যায়, তবেই আমরা একধাপ এগিয়ে যেতে পারব ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যের দিকে।” তাঁর এই বক্তব্যকে দেশের শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ রূপরেখা হিসেবেই দেখছেন অর্থনৈতিক মহলের একাংশ।